[email protected] সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

বাংলাদেশের ভুমিকম্প পরিমাপ আসলে কতটুকু নির্ভুল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:১১ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক কয়েকটি ভূমিকম্পে প্রথমিক রিডিংয়ে ভুল কেন্দ্রস্থল বা ভিন্নমাত্রার তথ্য পাওয়ায় দেশের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় ত্রুটি রয়েছে কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি মূলত ভূকম্পন বিজ্ঞানের স্বাভাবিক সীমাবদ্ধতা ও প্রযুক্তিগত বাস্তবতার সঙ্গে জড়িত।

ভূমিকম্প শনাক্তে ব্যবহৃত সিসমোগ্রাফ মাটির কম্পন ধরে তরঙ্গকে গ্রাফে রেকর্ড করে। ইউএসজিএস জানায়, কম্পনের শক্তি, স্থায়িত্ব তরঙ্গের প্রকৃতি সিসমোগ্রাফে ধরা পড়লেও সঠিক মাত্রা কেন্দ্রস্থল নির্ধারণে অতিরিক্ত বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। রিক্টার স্কেলে মাত্রা এক বাড়লে শক্তি প্রায় ৩২ গুণ বেড়ে যায়, তবে বড় ভূমিকম্প পরিমাপে সীমাবদ্ধতা থাকায় এখন মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেল ব্যবহৃত হয়।

ভূমিকম্পের পর প্রাথমিক (পি-ওয়েভ) সেকেন্ডারি (এস-ওয়েভ) দুই ধরনের তরঙ্গ ছড়ায়। পি-ওয়েভ প্রথমে ধরা পড়ে, কিন্তু কেন্দ্রস্থল সঠিক মাত্রা নির্ধারণে এস-ওয়েভ অপরিহার্য। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, প্রাথমিক ফলাফল দ্রুত দেওয়ার কারণে কখনও ভুল তথ্য আসে। পরে বিভিন্ন সিসমিক স্টেশনের ডেটা বিশ্লেষণ আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের তথ্য সমন্বয়ের পর চূড়ান্ত রিডিং প্রকাশ করা হয়।

ইউএসজিএসও বলে, পৃথক সংস্থা ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করায় . থেকে . মাত্রার পার্থক্য স্বাভাবিক। এটি কোনো কারিগরি ত্রুটি নয় বরং মাত্রা নির্ধারণ প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অনিশ্চয়তার প্রতিফলন।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর