গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পর্ষদের সভাপতি তিনি নিজেই। পর্ষদের তত্ত্বাবধানে গত বৃহস্পতিবার ১৫ সদস্যের একটি টেকনোক্রেটিক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবে। নতুন এই কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে উপত্যকার নিয়ন্ত্রক সংগঠন হামাস।
বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন তাঁর জন্য সম্মানের। শিগগিরই বোর্ডের সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ এগিয়ে নিতে হামাসসহ ফিলিস্তিনের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বর্তমানে কায়রোতে অবস্থান করছেন। আলোচনায় রাফা ক্রসিং পুনরায় চালু, মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন হামাসের নেতারা।
এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলের হামলা ও ভূমি দখল অব্যাহত রয়েছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, ইসরায়েল তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’ অতিক্রম করে গাজার আরও ভেতরে সামরিক অবস্থান গড়ে তুলেছে। উপত্যকার অর্ধেকের বেশি এলাকা বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে।
ফিলিস্তিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন আল-শেখ গাজা পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘এক ব্যবস্থা, এক আইন ও এক বৈধ অস্ত্রের নীতি’ বজায় রেখে গাজার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন।
চুক্তির মধ্যস্থতাকারী মিসর, তুরস্ক ও কাতার এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটিকে গাজার স্থিতিশীলতা ও মানবিক পরিস্থিতি উন্নয়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনির প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়া এই কমিটির অর্থায়ন ও কার্যক্রম কীভাবে চলবে—সে বিষয়ে এখনো স্পষ্টতা আসেনি।
মন্তব্য করুন: