বাংলাদেশ আমদানি বন্ধ রাখায় বিপাকে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা। জেলার মাহাদিপুর–সোনামসজিদ সীমান্তে প্রায় ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ পচে যাওয়ার পথে।
সীমান্ত এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পেঁয়াজ মাত্র ২ রুপিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় মাত্র ২ টাকা ৭৩ পয়সা। ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০০ রুপিতে। অথচ স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম ২০–২২ রুপি।
রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, বাংলাদেশের আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের মৌখিক আশ্বাসেই তারা ইন্দোর ও নাসিক থেকে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন। কিন্তু ১৬ নভেম্বর বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা জানায়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষ্টি সম্প্রসারণ বিভাগ ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এরপর থেকেই রপ্তানিকারকদের পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এক রপ্তানিকারক সিরাজুল শেখ বলেন, “৫০ থেকে ৭০ ট্রাক পেঁয়াজ মজুত করেছি। এখন স্থানীয় বাজারে ২–১০ রুপিতে বিক্রি করছি, জ্বালানির খরচও তুলতে পারছি না।” আরেক রপ্তানিকারক জাকিরুল ইসলাম জানান, আগে প্রতিদিন ৩০–৩৫ ট্রাক বাংলাদেশে যেত, এখন সব পচে যাচ্ছে।
ওয়েস্ট বেঙ্গল এক্সপোর্টার্স কো-অর্ডিনেশন কমিটি সতর্ক করে বলেছে, সীমান্ত দ্রুত না খুললে বহু রপ্তানিকারক সর্বস্বান্ত হয়ে পড়বে।
মন্তব্য করুন: