মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলা এবং আশপাশের আকাশসীমা “সম্পূর্ণরূপে বন্ধ” করার আহ্বান জানিয়ে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছেন। ৩০ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে তিনি বিমান সংস্থা, পাইলট, মাদক ব্যবসায়ী ও মানব পাচারকারীদের উদ্দেশে সতর্কতা দেন।
ট্রাম্প বিস্তারিত ব্যাখ্যা না করলেও কারাকাস এ মন্তব্যকে “ঔপনিবেশিক হুমকি” ও “অবৈধ আগ্রাসন” হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় অঞ্চলে বিশাল সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী। ওয়াশিংটনের দাবি, তাদের উদ্দেশ্য মাদক চোরাচালান দমন করা, তবে ভেনেজুয়েলার মতে,তাদের লক্ষ্য আসলে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন করা। সেপ্টেম্বরের পর থেকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালানের অভিযোগে ২০টিরও বেশি জাহাজে মার্কিন হামলায় ৮৩ জন নিহত হয়েছে, যদিও এসব জাহাজ মাদক পরিবহনে ব্যবহার হয়েছিল, এমন প্রমাণ প্রকাশ করেনি যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞরা এসব অভিযানকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলে মন্তব্য করেছেন।
ট্রাম্প আরও সতর্ক করেছেন, খুব শিগগিরই স্থলপথেও অভিযান শুরু হবে। এ সময় মার্কিন যুদ্ধবিমানের ভেনেজুয়েলা উপকূলের কাছে ঘন তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। ডোমিনিকান রিপাবলিক ও ত্রিনিদাদ–টোবাগো যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সহায়তা দিয়েছে।
উত্তেজনা বাড়ায় ভেনেজুয়েলায় বিমান চলাচলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে। মার্কিন সতর্কতার পর দক্ষিণ আমেরিকার ছয়টি বিমান সংস্থা ফ্লাইট স্থগিত করে। ক্ষুব্ধ কারাকাস প্রতিক্রিয়ায় এসব কোম্পানিকে নিষিদ্ধ করে। মাঝে ট্রাম্প ও মাদুরোর ফোনালাপও হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
মন্তব্য করুন: