যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ২৮ নভেম্বর এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের (ইউএসসিআইএস) পরিচালক জোসেফ এডলো ঘোষণা দেন, বিদেশিদের ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ের যাচাই-বাছাই ও স্ক্রিনিং নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত’ এই স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলির ঘটনার পর অভিবাসন বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। হামলায় আহত এক সদস্য পরে মারা যান এবং হামলার দায় এক আফগান নাগরিকের ওপর চাপানো হয়। এর পরপরই ইউএসসিআইএস কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়, কোনো জাতীয়তার ক্ষেত্রেই তারা আশ্রয় আবেদন অনুমোদন, প্রত্যাখ্যান বা বন্ধ করতে পারবেন না।
ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসন বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছেন। তিনি ‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ’ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের গণবহিষ্কার, শরণার্থী গ্রহণ কমানো, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সুবিধা প্রত্যাহার এবং ‘নাগরিক নয়’ এমন ব্যক্তিদের সব ফেডারেল সুবিধা বন্ধের ঘোষণা দেন। ট্রাম্প বলেন, দেশের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, সরকারি বোঝা বা ‘পাশ্চাত্য সভ্যতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ বিদেশিদেরও বহিষ্কার করা হবে।
এ ছাড়া বাইডেন প্রশাসনের সময়ে অনুমোদিত আশ্রয় আবেদন এবং ১৯টি দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ড পুনরায় পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিকে আরও কঠোর পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
মন্তব্য করুন: