ভারতের ‘চিকেন নেক’ করিডরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে সম্প্রতি। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফর এবং তার দেওয়া কিছু মন্তব্যের পর সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয় বলে জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি করিডরকে সাধারণত ‘চিকেন নেক’ নামে ডাকা হয়, কারণ এটি ভারতের মানচিত্রে দেখতে অনেকটা মুরগির গলার মতো। এই করিডরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডকে সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করে। ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই পথের আশপাশেই রয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও চীনের সীমান্ত।
সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও বাংলাদেশ-চীন ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে ভারত এই করিডরে সেনা উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এটি তাদের সবচেয়ে কৌশলগত প্রতিরক্ষাবলয়, যেখানে কোনো ধরনের হুমকি প্রতিহত করার পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে।
চিকেন নেক করিডরের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে ত্রিশক্তি কোর, যার সদর দপ্তর সুকনায়। এই ইউনিটের কাছে রয়েছে উন্নত অস্ত্র ও সরঞ্জাম—রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র এবং আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলেন, চিকেন নেক অঞ্চলটি সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক জোন হিসেবে বিবেচিত, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সেনা মোতায়েন সম্ভব।
সূত্র: দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
মন্তব্য করুন: