ajbarta24@gmail.com শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১

লেবাননের স্বাস্থ্য খাতে ইসরায়েলি হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে তদন্ত করা উচিত : অ্যামনেস্টি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ ২০২৫ ১৩:০৩ পিএম
আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৫ ১:৫৫ পিএম

ফাইল ছবি

লেবাননের যোদ্ধাগোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের সময় অ্যাম্বুলেন্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর ইসরাইলি হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, গত বছরের ২৭ নভেম্বর যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের নিরসন হয়। এ সময়ের মধ্যে শেষ দুই মাস চলে সর্বাত্মক যুদ্ধ। তখন লেবাননের অ্যাম্বুলেন্স, প্যারামেডিক এবং স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন স্থাপনার ওপর হামলা চালায় ইসরাইল। এতে অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মূলত এ বিষয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্ত করা উচিত বলে মনে করছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তেল আবিবের অভিযোগ ছিল যোদ্ধা ও অস্ত্র পরিবহনের জন্য স্বাস্থ্য কমিটির অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করেছে ইরান সমর্থিত ওই গোষ্ঠীটি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে তারা।

অ্যামনেস্টির মতে, লেবাননে যুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সুরক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা, অ্যাম্বুলেন্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বারবার বেআইনি হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে তদন্ত করা উচিত। লেবাননের সরকারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে দেশটির ভূখণ্ডে সংঘটিত রোম সংবিধির অধীনে অপরাধ তদন্ত ও বিচারের এখতিয়ার প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকারের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার ওই সংস্থাটি।

লেবাননের তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিরাস আবিয়াদ গত ডিসেম্বরে বলেছেন, যুদ্ধের সময় হাসপাতালে ৬৭টি হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। অন্তত ৪০টি হাসপাতালে সরাসরি হামলা চালিয়েছে তেল আবিব। ওই হামলায় প্রায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া স্বাস্থ্যখাত নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর ওপর ২৩৮টি হামলা হয়েছে। যাতে প্রাণ হারিয়েছেন ২০৬ জন। ওই মন্ত্রী বলেছেন, অগ্নিনির্বাপক গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স সহ ২৫৬টি জরুরি যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরাইল।

গত বছরের ৩ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত বৈরুত এবং দক্ষিণ লেবাননে স্বাস্থ্যসেবা এবং যানবাহনের ওপর চারটি ইসরাইলি হামলার তদন্ত করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ওই হামলায় ১৯ জন স্বাস্থ্যসেবা কর্মী নিহত, ১১ জন আহত এবং একাধিক অ্যাম্বুলেন্স এবং দুটি চিকিৎসা সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করা হয়েছে।

সোর্স: মানবজমিন 

 

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর