ajbarta24@gmail.com বৃহঃস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১

নভেম্বরে ইউনূস-মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০২৪ ১০:১০ এএম
আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৪ ১০:৫৪ এএম

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি : সংগৃহীত ছবি

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

১ অক্টোবর মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং সাম্প্রতিক বিষয়াবলী নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি আরও জানান, নিউইয়র্কে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি ড. ইউনূসের আগমনের আগেই নিউইয়র্ক ত্যাগ করায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে, সামোয়ার আপিয়াতে ২১-২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে মোদি ও ড. ইউনূস কেউই যোগদান করবেন না। মোদি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করবেন।

তৌহিদ হোসেন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আগামী মাসে বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের সময় বৈঠকের সম্ভাবনা থাকতে পারে। যদিও তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি, ধারণা করা হচ্ছে নভেম্বর মাসে এটি অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যোগাযোগের বিভিন্ন স্তরের মাধ্যমে পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয়গুলি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

বঙ্গোপসাগরীয় বহুক্ষেত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো বিমস্টেক। ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মায়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড এর সদস্য রাষ্ট্র।

বিমস্টেক একমাত্র সংগঠন, যা দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুটি দেশকে একত্রিত করেছে। এই সাতটি দেশ মিলিয়ে বিশ্বের জনসংখ্যার ২২ শতাংশ এবং মোট দেশজ উৎপাদনের পরিমাণ ৪.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০১৪ সালে ঢাকায় বিমস্টেক সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

সাতটি দেশ সাতটি ক্ষেত্র পরিচালনা করে - বাংলাদেশ ব্লু-ইকোনমিসহ বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন; ভুটান পাহাড়ি অর্থনীতিসহ পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন; ভারত জ্বালানি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ নিরাপত্তা; মায়ানমার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদসহ কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা; নেপাল দারিদ্র্য বিমোচনাসহ জনসাধারণের মধ্যে যোগাযোগ; শ্রীলঙ্কা স্বাস্থ্য ও জনবল উন্নয়নসহ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন; এবং থাইল্যান্ড যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিচালনা করে।

আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনের পর বাংলাদেশ সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর